ইহুদিবাদী ইসরাইলিদের হাতে নিহত শত শত ফিলিস্তিনির দেহাবশেষ তেলআবিবের
একটি মুসলিম কবরস্থান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তেলআবিবের জাফা এলাকায়
অবস্থিত ওই কবরস্থানের ছয়টি গণকবরে এ সব হতভাগ্য ফিলিস্তিনির লাশ পুতে রাখা
হয়েছিল। ১৯৪৮ সালে আরব-ইসরাইল যুদ্ধের সময় এ সব ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে
ইহুদিবাদী।
কাজখানা নামের এ কবরস্থানের এক কর্মকর্তা জানান, গত বুধবার মুসলিম এ গোরস্তানে সংস্কারের কাজ করার সময় মাটি ধসে এ সব দেহাবশেষ বের হয়ে আসে।
৮০ বছর বয়সী আতার জেইনাব জানান, ১৯৪৮ সালের যুদ্ধের শেষের দিকে লাশ নিয়ে এসে দ্রুত এ এলাকায় দাফন করতে সাহায্য করেছিলেন তিনি। সে সময় তিনি কিশোর বয়সী ছিলেন বলেও জানান।
তিনি আরো বলেন, সে সময় ছুটে আসা গুলি বা গ্রেনেডের টুকরার আঘাত হানার তীব্র আশংকা থাকার কারণে লাশগুলো পূর্ব নির্ধারিত কবরগুলোতে এনে জড়ো করা হয়েছিল এবং একটার ওপর আরেকটা লাশ তড়িঘড়ি করে চাপা দেয়া হয়।
জাফা সে সময় ফিলিস্তিনি শহর ছিল কিন্তু ইহুদিবাদী ইসরাইলের নবগঠিত সেনাবাহিনী ও ইহুদিবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো এ শহরের ফিলিস্তিনিদেরকে তাদের ঘর-বাড়ি থেকে নৃশংসভাবে উচ্ছেদ করে।
সে সময় ৭ লাখ ৬০ হাজার ফিলিস্তিনিকে তাদের ঘর-বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে
বাধ্য করা হয়েছিল। ১৯৪৮ সালের ওই পাশবিক ঘটনার বার্ষিকীতে প্রতি বছর ১৫ মে
‘নাকবা ’ বা ‘মহাবিপর্যয়’ দিবস পালন করেন ফিলিস্তিনিরা।
ইসরাইলি বাহিনী প্রায় ৫০০ ফিলিস্তিন গ্রাম ও শহর ধ্বংস করেছিল। এতে শরণার্থীতে পরিণত হয় ৪৭ লাখ ফিলিস্তিনি। গত ছয় দশকের বেশি সময় পার হতে চললেও এ সব শরণার্থী আজো স্বদেশভূমি ফিলিস্তিনে আর ফিরে আসতে পারেননি।
১৯৫০ সালে জাফাকে তেলআবিবের সঙ্গে একীভূত করা হয় এবং নাম পাল্টে তেলআবিব-জাফা রাখা হয়। #
রেডিও তেহরান
কাজখানা নামের এ কবরস্থানের এক কর্মকর্তা জানান, গত বুধবার মুসলিম এ গোরস্তানে সংস্কারের কাজ করার সময় মাটি ধসে এ সব দেহাবশেষ বের হয়ে আসে।
৮০ বছর বয়সী আতার জেইনাব জানান, ১৯৪৮ সালের যুদ্ধের শেষের দিকে লাশ নিয়ে এসে দ্রুত এ এলাকায় দাফন করতে সাহায্য করেছিলেন তিনি। সে সময় তিনি কিশোর বয়সী ছিলেন বলেও জানান।
তিনি আরো বলেন, সে সময় ছুটে আসা গুলি বা গ্রেনেডের টুকরার আঘাত হানার তীব্র আশংকা থাকার কারণে লাশগুলো পূর্ব নির্ধারিত কবরগুলোতে এনে জড়ো করা হয়েছিল এবং একটার ওপর আরেকটা লাশ তড়িঘড়ি করে চাপা দেয়া হয়।
জাফা সে সময় ফিলিস্তিনি শহর ছিল কিন্তু ইহুদিবাদী ইসরাইলের নবগঠিত সেনাবাহিনী ও ইহুদিবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো এ শহরের ফিলিস্তিনিদেরকে তাদের ঘর-বাড়ি থেকে নৃশংসভাবে উচ্ছেদ করে।
ইসরাইলি বাহিনী প্রায় ৫০০ ফিলিস্তিন গ্রাম ও শহর ধ্বংস করেছিল। এতে শরণার্থীতে পরিণত হয় ৪৭ লাখ ফিলিস্তিনি। গত ছয় দশকের বেশি সময় পার হতে চললেও এ সব শরণার্থী আজো স্বদেশভূমি ফিলিস্তিনে আর ফিরে আসতে পারেননি।
১৯৫০ সালে জাফাকে তেলআবিবের সঙ্গে একীভূত করা হয় এবং নাম পাল্টে তেলআবিব-জাফা রাখা হয়। #
রেডিও তেহরান

No comments:
Post a Comment