Saturday, May 2, 2015
Monday, April 27, 2015
ধর্মভাই সেজে দশ লাখ টাকা চুরি

পীরগাছা প্রতিনিধি
নতুন বার্তা ডটকম
রংপুর: রংপুরের পীরগাছা উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে ধর্মভাই সেজে ১০ লাখ ৫৫
হাজার টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাতে ওই ধর্মভাইয়ের ঘরের মেঝ খুড়ে দেড়
লক্ষ টাকা উদ্ধার করলেও বাকি টাকা নিয়ে পলতাক তার স্ত্রী।নতুন বার্তা ডটকম
পীরগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির বলেন, উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের মো. নাজমুল হাসানের সঙ্গে তাম্বুলপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পূর্ব দেবুর আবু তাহেরের ‘ধর্মভাই’ সম্পর্ক তৈরি হয়। তাদের সম্পর্ক এমন গভীর ছিল যে একে অন্যের কাছে সব কথা বলত। এক পর্যায়ে নাজমুলের বিদেশ যাওয়ার জন্য সংগৃহীত করা টাকা কোথায় রাখা হয় সেটিও জানতে পারেন আবু তাহের।
পুলিশের ধারণা, বাকি টাকা নিয়ে আবু তাহেরের স্ত্রী শেফালী বেগম পলাতক। তাকে গ্রেফতার এবং সব টাকা উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে।
নতুন বার্তা/কেএমআর
Tuesday, April 21, 2015
পীরগাছায় ২০ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাধা
পীরগাছায় ২০ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাধা
পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ ২০ দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরে হামলার প্রতিবাদে কেন্দ্রিয় কর্মসূচির অংশ হিসেব রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যয় স্থানীয় ২০ দলীয় জোট এক বিক্ষেভ মিছিল বের করলে পীরগাছা থানা পুলিশির মিছিলে বাধা দেয় । পুলিশি বাধার কারনে মিছিলটি পন্ড হয়ে যায় । পরে স্থানীয় বি এন পি অফিসের সামনে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে বিক্ষোভ মিছিলটি শেষ হয়।
পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ ২০ দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরে হামলার প্রতিবাদে কেন্দ্রিয় কর্মসূচির অংশ হিসেব রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যয় স্থানীয় ২০ দলীয় জোট এক বিক্ষেভ মিছিল বের করলে পীরগাছা থানা পুলিশির মিছিলে বাধা দেয় । পুলিশি বাধার কারনে মিছিলটি পন্ড হয়ে যায় । পরে স্থানীয় বি এন পি অফিসের সামনে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে বিক্ষোভ মিছিলটি শেষ হয়।
Monday, April 20, 2015
ইহুদিবাদী ইসরাইলিদের হাতে নিহত শত শত ফিলিস্তিনির দেহাবশেষ তেলআবিবের একটি মুসলিম কবরস্থান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তেলআবিবের জাফা এলাকায় অবস্থিত ওই কবরস্থানের ছয়টি গণকবরে এ সব হতভাগ্য ফিলিস্তিনির লাশ পুতে রাখা হয়েছিল। ১৯৪৮ সালে আরব-ইসরাইল যুদ্ধের সময় এ সব ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ইহুদিবাদী।
ইহুদিবাদী ইসরাইলিদের হাতে নিহত শত শত ফিলিস্তিনির দেহাবশেষ তেলআবিবের
একটি মুসলিম কবরস্থান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তেলআবিবের জাফা এলাকায়
অবস্থিত ওই কবরস্থানের ছয়টি গণকবরে এ সব হতভাগ্য ফিলিস্তিনির লাশ পুতে রাখা
হয়েছিল। ১৯৪৮ সালে আরব-ইসরাইল যুদ্ধের সময় এ সব ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে
ইহুদিবাদী।
কাজখানা নামের এ কবরস্থানের এক কর্মকর্তা জানান, গত বুধবার মুসলিম এ গোরস্তানে সংস্কারের কাজ করার সময় মাটি ধসে এ সব দেহাবশেষ বের হয়ে আসে।
৮০ বছর বয়সী আতার জেইনাব জানান, ১৯৪৮ সালের যুদ্ধের শেষের দিকে লাশ নিয়ে এসে দ্রুত এ এলাকায় দাফন করতে সাহায্য করেছিলেন তিনি। সে সময় তিনি কিশোর বয়সী ছিলেন বলেও জানান।
তিনি আরো বলেন, সে সময় ছুটে আসা গুলি বা গ্রেনেডের টুকরার আঘাত হানার তীব্র আশংকা থাকার কারণে লাশগুলো পূর্ব নির্ধারিত কবরগুলোতে এনে জড়ো করা হয়েছিল এবং একটার ওপর আরেকটা লাশ তড়িঘড়ি করে চাপা দেয়া হয়।
জাফা সে সময় ফিলিস্তিনি শহর ছিল কিন্তু ইহুদিবাদী ইসরাইলের নবগঠিত সেনাবাহিনী ও ইহুদিবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো এ শহরের ফিলিস্তিনিদেরকে তাদের ঘর-বাড়ি থেকে নৃশংসভাবে উচ্ছেদ করে।
সে সময় ৭ লাখ ৬০ হাজার ফিলিস্তিনিকে তাদের ঘর-বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে
বাধ্য করা হয়েছিল। ১৯৪৮ সালের ওই পাশবিক ঘটনার বার্ষিকীতে প্রতি বছর ১৫ মে
‘নাকবা ’ বা ‘মহাবিপর্যয়’ দিবস পালন করেন ফিলিস্তিনিরা।
ইসরাইলি বাহিনী প্রায় ৫০০ ফিলিস্তিন গ্রাম ও শহর ধ্বংস করেছিল। এতে শরণার্থীতে পরিণত হয় ৪৭ লাখ ফিলিস্তিনি। গত ছয় দশকের বেশি সময় পার হতে চললেও এ সব শরণার্থী আজো স্বদেশভূমি ফিলিস্তিনে আর ফিরে আসতে পারেননি।
১৯৫০ সালে জাফাকে তেলআবিবের সঙ্গে একীভূত করা হয় এবং নাম পাল্টে তেলআবিব-জাফা রাখা হয়। #
রেডিও তেহরান
কাজখানা নামের এ কবরস্থানের এক কর্মকর্তা জানান, গত বুধবার মুসলিম এ গোরস্তানে সংস্কারের কাজ করার সময় মাটি ধসে এ সব দেহাবশেষ বের হয়ে আসে।
৮০ বছর বয়সী আতার জেইনাব জানান, ১৯৪৮ সালের যুদ্ধের শেষের দিকে লাশ নিয়ে এসে দ্রুত এ এলাকায় দাফন করতে সাহায্য করেছিলেন তিনি। সে সময় তিনি কিশোর বয়সী ছিলেন বলেও জানান।
তিনি আরো বলেন, সে সময় ছুটে আসা গুলি বা গ্রেনেডের টুকরার আঘাত হানার তীব্র আশংকা থাকার কারণে লাশগুলো পূর্ব নির্ধারিত কবরগুলোতে এনে জড়ো করা হয়েছিল এবং একটার ওপর আরেকটা লাশ তড়িঘড়ি করে চাপা দেয়া হয়।
জাফা সে সময় ফিলিস্তিনি শহর ছিল কিন্তু ইহুদিবাদী ইসরাইলের নবগঠিত সেনাবাহিনী ও ইহুদিবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো এ শহরের ফিলিস্তিনিদেরকে তাদের ঘর-বাড়ি থেকে নৃশংসভাবে উচ্ছেদ করে।
ইসরাইলি বাহিনী প্রায় ৫০০ ফিলিস্তিন গ্রাম ও শহর ধ্বংস করেছিল। এতে শরণার্থীতে পরিণত হয় ৪৭ লাখ ফিলিস্তিনি। গত ছয় দশকের বেশি সময় পার হতে চললেও এ সব শরণার্থী আজো স্বদেশভূমি ফিলিস্তিনে আর ফিরে আসতে পারেননি।
১৯৫০ সালে জাফাকে তেলআবিবের সঙ্গে একীভূত করা হয় এবং নাম পাল্টে তেলআবিব-জাফা রাখা হয়। #
রেডিও তেহরান
Sunday, April 19, 2015
Sūra I.: Fātiḥa, or the Opening Chapter. Section 1 1. Bismi Allahi alrrahmani alrraheemi 1. In the name of God, Most Gracious, Most Merciful. 2. Alhamdu lillahi rabbi alAAalameena 2. Praise be to God, The Cherisher and Sustainer of the Worlds; 3. Alrrahmani alrraheemi 3. Most Gracious, Most Merciful; 4. Maliki yawmi alddeeni 4. Master of the Day of Judgment. 5. Iyyaka naAAbudu wa-iyyaka nastaAAeenu 5. Thee do we worship, And Thine aid we seek. 6. Ihdina alssirata almustaqeema 6. Show us the straight way, 7. Sirata allatheena anAAamta AAalayhim ghayri almaghdoobi AAalayhim wala alddalleena 7. The way of those on whom Thou hast bestowed Thy Grace, Those whose (portion) Is not wrath, And who go not astray.
Sūra I.: Fātiḥa, or the Opening Chapter.
Section 1
1. In the name of God, Most Gracious,
Most Merciful.
2. Praise be to God,
The Cherisher and Sustainer of the Worlds;
3. Most Gracious, Most Merciful;
4. Master of the Day of Judgment.
5. Thee do we worship,
And Thine aid we seek.
6. Show us the straight way,
7. The way of those on whom
Thou hast bestowed Thy Grace,
Those whose (portion)
Is not wrath,
And who go not astray.
ইসলামের দৃষ্টিতে নারী
শেখ ফাতিমা রংপুর নগর প্রতিনিধি.
ইসলাম নারীকে সর্ব প্রথম মর্যাদা দিয়েছে।ব্যাক্তিগত, পারিবারিক,সামাজিক, রাজনৈতিক,সর্বোপরি জীবনের সবদিকে। পবিত্র আল কুরআনে নারী অধিকারের বিষয় গুলো পূঙ্খানূঙ্খানূ রুপে বর্ননা করা হয়েছে। সূরা বাকারা, সূরা নিসা,সূরা মায়েদা,সূরা মুজাদিলা ,সূরা মুমতাহিনা, সূরা আত্ -তাহরীম সূরা নূরে ও পবিত্র আল কুরআনের অন্যান্য সূরায় নারীদের ব্যাপারে যে বিধান কার্যকর করা হয়েছে তা জাহেলিয়া যুগে অত্যাচারিত নারীদের মুক্তিকে কেন্দ্র করে কিয়ামত পর্যন্ত ইসলাম ধর্মের সকল নারীদের জীবন বিধান । যে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। নারীদের নিজ নিজ অধিকার উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে। ইসলামে নামাজ ও অন্যান্য ফরজ বিষয়ের মত পর্দাকে ফরজ করা হয়েছে। পর্দা,বিয়ে,তালাক, ও তার বিধান দেনমোহর ,মাতৃত্বের খোলাশা বিধান কার্যকর করা হয়েছে। ব্যাভিচার ,লিয়ান ও তার শাস্তির বিধান। সন্তানের দুগ্ধ পান করানোর সময়সীমা যাতে মাতৃতের উপর কোন ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে। ইসলামে একমাত্র নারীকে এতবড় সম্মান দিয়েছে।মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশ্ত।এই বিরল সম্মান দিয়েছে যা পিতাকে দেয়নি এমনকি অন্যকোন ধর্মে নেই।পবিত্রতার দিক গুলোতে নারীদের বিষয় গুলো খুব স্পষ্ট। হায়েয, নিফাস, সহবাস ইত্যাদি বিষয় গুলোতে যার নির্দিষ্ট সময় সীমা বেধে দেয়া হয়েছে।সূরা আন নিসা,সূরা আন নূরে পর্দার বিষয়গুলোর ব্যাপারে বলা হয়েছে হে নারীগন জাহেলিয়া যুগের নারীদের মত,তোমরা তোমাদের সৌন্দযর্ কে প্রকাশকরে বেড়াইওনা। তোমাদের অলংকারকে যেগুলো শব্দ করে। পূর্বে যা হয়ে গিয়েছে তা তো হয়ে গিয়েছে। বুহতান (মিথ্যা অপবাদ)সত্বীত্ব, নারীত্ব , মাতৃত্ব । এমনকি মুহরিম যাদের সঙ্গে চলাফেরা নিরাপদ রক্ত সম্পর্কের কারনে অথবা দুগ্ধ সম্পর্কীয় কারনে। নামাজ আদায়,মুহরিমদের সাথে নিয়ে নারীদের হজ্ব পালন,হায়েয অবস্থায় কাবাঘর তাওয়াফ ও পবিত্র কুরআন শরীফ স্পর্শ এমনকি স্বামী সহবাস নিদিষ্ট দিনগুলোতে নিষিদ্ধ। এমনকি শালীন পোশাক পরিচ্ছেদ,দাফন Ñকাফন জীবনের সকল বিষয়ে ফায়সালা করে দিয়েছে ইসলাম। সুতরাং চুলচেরা বিশে¬ষনে দেখাযায় ইসলাম ÑইÑনারীকে যথাযথ মর্যাদা দিয়েছে এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। যা আমাদের ইসলাম ধর্মাবলম্বী মুসলমান নারী দের সঠিকভাবে মেনে চলা উচিত। যাতে ইসলাম আমাদের নারীদের যে মর্যাদা দিয়েছে তা সঠিকভাবে আদায় করতে পারি ।
শেখ ফাতিমা রংপুর নগর প্রতিনিধি.
ইসলাম নারীকে সর্ব প্রথম মর্যাদা দিয়েছে।ব্যাক্তিগত, পারিবারিক,সামাজিক, রাজনৈতিক,সর্বোপরি জীবনের সবদিকে। পবিত্র আল কুরআনে নারী অধিকারের বিষয় গুলো পূঙ্খানূঙ্খানূ রুপে বর্ননা করা হয়েছে। সূরা বাকারা, সূরা নিসা,সূরা মায়েদা,সূরা মুজাদিলা ,সূরা মুমতাহিনা, সূরা আত্ -তাহরীম সূরা নূরে ও পবিত্র আল কুরআনের অন্যান্য সূরায় নারীদের ব্যাপারে যে বিধান কার্যকর করা হয়েছে তা জাহেলিয়া যুগে অত্যাচারিত নারীদের মুক্তিকে কেন্দ্র করে কিয়ামত পর্যন্ত ইসলাম ধর্মের সকল নারীদের জীবন বিধান । যে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। নারীদের নিজ নিজ অধিকার উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে। ইসলামে নামাজ ও অন্যান্য ফরজ বিষয়ের মত পর্দাকে ফরজ করা হয়েছে। পর্দা,বিয়ে,তালাক, ও তার বিধান দেনমোহর ,মাতৃত্বের খোলাশা বিধান কার্যকর করা হয়েছে। ব্যাভিচার ,লিয়ান ও তার শাস্তির বিধান। সন্তানের দুগ্ধ পান করানোর সময়সীমা যাতে মাতৃতের উপর কোন ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে। ইসলামে একমাত্র নারীকে এতবড় সম্মান দিয়েছে।মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশ্ত।এই বিরল সম্মান দিয়েছে যা পিতাকে দেয়নি এমনকি অন্যকোন ধর্মে নেই।পবিত্রতার দিক গুলোতে নারীদের বিষয় গুলো খুব স্পষ্ট। হায়েয, নিফাস, সহবাস ইত্যাদি বিষয় গুলোতে যার নির্দিষ্ট সময় সীমা বেধে দেয়া হয়েছে।সূরা আন নিসা,সূরা আন নূরে পর্দার বিষয়গুলোর ব্যাপারে বলা হয়েছে হে নারীগন জাহেলিয়া যুগের নারীদের মত,তোমরা তোমাদের সৌন্দযর্ কে প্রকাশকরে বেড়াইওনা। তোমাদের অলংকারকে যেগুলো শব্দ করে। পূর্বে যা হয়ে গিয়েছে তা তো হয়ে গিয়েছে। বুহতান (মিথ্যা অপবাদ)সত্বীত্ব, নারীত্ব , মাতৃত্ব । এমনকি মুহরিম যাদের সঙ্গে চলাফেরা নিরাপদ রক্ত সম্পর্কের কারনে অথবা দুগ্ধ সম্পর্কীয় কারনে। নামাজ আদায়,মুহরিমদের সাথে নিয়ে নারীদের হজ্ব পালন,হায়েয অবস্থায় কাবাঘর তাওয়াফ ও পবিত্র কুরআন শরীফ স্পর্শ এমনকি স্বামী সহবাস নিদিষ্ট দিনগুলোতে নিষিদ্ধ। এমনকি শালীন পোশাক পরিচ্ছেদ,দাফন Ñকাফন জীবনের সকল বিষয়ে ফায়সালা করে দিয়েছে ইসলাম। সুতরাং চুলচেরা বিশে¬ষনে দেখাযায় ইসলাম ÑইÑনারীকে যথাযথ মর্যাদা দিয়েছে এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। যা আমাদের ইসলাম ধর্মাবলম্বী মুসলমান নারী দের সঠিকভাবে মেনে চলা উচিত। যাতে ইসলাম আমাদের নারীদের যে মর্যাদা দিয়েছে তা সঠিকভাবে আদায় করতে পারি ।
Subscribe to:
Comments (Atom)
